Latest

International

ভেনেজুয়েলায় জোড়া শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ১৬৪, আহত প্রায় এক হাজার

ডেস্ক রিপোর্ট
ডেস্ক রিপোর্ট

শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬ ১২:২৪ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ভেনেজুয়েলায় কাছাকাছি সময়ে আঘাত হানা দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬৪ জনে পৌঁছেছে। আহত হয়েছেন প্রায় এক হাজার মানুষ। সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে রাজধানী কারাকাসের পাশের লা গুয়াইরা অঞ্চলে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের উদ্ধারে চলছে ব্যাপক অভিযান।
ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভবন

ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬৪ জনে দাঁড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার দেশটির অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, উদ্ধারকাজ এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রাজধানী কারাকাসের নিকটবর্তী লা গুয়াইরা অঞ্চল। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত ফুটেজে দেখা গেছে, ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে তিন শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। রদ্রিগেজ অঞ্চলটিকে ‘বিধ্বস্ত এলাকা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া ব্যক্তিদের জীবিত অথবা মৃত অবস্থায় খুঁজে বের করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। এদিকে জাতিসংঘসহ যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া, ইরান, ফ্রান্স, স্পেন ও ভারতসহ বিভিন্ন দেশ মানবিক সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।

বাহরাইন সফররত মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র তাৎক্ষণিকভাবে বৃহৎ পরিসরে সহায়তা কার্যক্রম শুরু করেছে।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, প্রথম ভূমিকম্পটি উপকূলীয় শহর মোরন থেকে প্রায় ২১ কিলোমিটার পশ্চিমে আঘাত হানে। এর মাত্র এক মিনিট পর প্রায় ৪৫ কিলোমিটার দূরে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দ্বিতীয় ভূমিকম্পটি সংঘটিত হয়। বিশেষজ্ঞদের ভাষায়, এ ধরনের ঘটনাকে ‘ডাবলেট’ বা জোড়া ভূমিকম্প বলা হয়, যা তুলনামূলকভাবে বিরল।

কারাকাসের বাসিন্দা ও প্রকৌশলী হেসুস আলেহান্দ্রো পিনা জানান, ভূমিকম্পের সময় তিনি একটি সাততলা ভবনের সর্বোচ্চ তলায় অবস্থান করছিলেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, তীব্র কম্পনে কাঁচের সামগ্রী ভেঙে যায়, দেয়ালের ছবিগুলো পড়ে যায় এবং ভবনের পিলার ও বিম থেকে অস্বাভাবিক শব্দ শোনা যায়।

তিনি বলেন, ভবনের পিলার ও বিম সাধারণত ভূমিকম্পের শক্তি শোষণ করে কাঠামোকে স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে। তবে কম্পন দীর্ঘ সময় ধরে চলতে থাকলে কাঠামো সহনশীলতার সীমায় পৌঁছে যায় এবং তখন ভবন ধসে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।

ভূমিকম্প থেমে যাওয়ার পর হাজারো মানুষ আতঙ্কে ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসেন। চারদিকে ধ্বংসস্তূপ, ক্ষয়ক্ষতি এবং স্বজনহারাদের আহাজারিতে সৃষ্টি হয় হৃদয়বিদারক পরিস্থিতি।

২১৩ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
International নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন