Latest

International

ডিমোনার পারমাণবিক স্থাপনার কাছে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, আহত শতাধিক

ডেস্ক রিপোর্ট
ডেস্ক রিপোর্ট

রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬ ৫:৪০ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
দক্ষিণ ইসরায়েলের ডিমোনা শহরে অবস্থিত একটি পারমাণবিক স্থাপনার কাছাকাছি ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। তবে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) জানিয়েছে, ডিমোনার প্রায় ১৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্রটিতে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর তাদের কাছে নেই।

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের দাবি, দেশটির নাতাঞ্জ পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার জবাব হিসেবেই শনিবার সকালে এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। আইএইএ আরও জানিয়েছে, ওই ঘটনার পর তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা বৃদ্ধির কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

আইএইএ’র মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর আশেপাশে সর্বোচ্চ সামরিক সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন।

ইসরায়েলের জরুরি চিকিৎসা সংস্থা জানিয়েছে, ডিমোনায় হামলার পর অন্তত ৪০ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাদের মধ্যে ৩৭ জনের আঘাত সামান্য এবং ১০ বছর বয়সী এক শিশু গুরুতর আহত। এছাড়া নিকটবর্তী আরাদ শহরে পৃথক হামলায় আরও ৬৮ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৪৭ জনের অবস্থা সামান্য এবং ১০ জন গুরুতর আহত বলে জানানো হয়েছে।

আরাদের পরিস্থিতিকে ‘অত্যন্ত ভয়াবহ’ উল্লেখ করে জরুরি চিকিৎসাকর্মী ইয়াকির তালকার বলেন, সেখানে বিভিন্ন মাত্রার আঘাত নিয়ে বহু মানুষ চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলার সময় ডিমোনা ও আরাদ এলাকায় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হলেও সেগুলো লক্ষ্যভেদে ব্যর্থ হয়। ফলে শত শত কিলোগ্রাম ওজনের ওয়ারহেড বহনকারী দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি আঘাত হানে।

নেগেভ মরুভূমিতে অবস্থিত শিমন পেরেস নেগেভ পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্র, যা ‘ডিমোনা রিঅ্যাক্টর’ নামে পরিচিত, দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েলের অঘোষিত পারমাণবিক কর্মসূচির কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। যদিও ইসরায়েল সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো অবস্থান দেয়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে একমাত্র পারমাণবিক শক্তিধর দেশ হিসেবে ইসরায়েলের এই ধরনের স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলার যেকোনো ইঙ্গিতই অত্যন্ত সংবেদনশীল।

এদিকে ইরানের পরমাণু শক্তি সংস্থা নাতাঞ্জে হামলাকে পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তির লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে। তবে তারা জানিয়েছে, এতে কোনো তেজস্ক্রিয় পদার্থ নিঃসরণের ঘটনা ঘটেনি এবং আশপাশের মানুষের জন্য কোনো ঝুঁকি তৈরি হয়নি।

উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া সংঘাতের শুরু থেকেই নাতাঞ্জ স্থাপনাটি একাধিকবার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। তবে সাম্প্রতিক হামলার বিষয়ে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, তারা ওই এলাকায় কোনো হামলার বিষয়ে অবগত নয়।

২১৭ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
International নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন