Latest

International

ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধবিরতি পুনরায় কার্যকর চায় যুক্তরাষ্ট্র 

ডেস্ক রিপোর্ট
ডেস্ক রিপোর্ট

মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৫ ৪:২৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তারা সোমবার গাজার যুদ্ধবিরতি পুনরায় কার্যকর করার জন্য ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং সংঘাতশীলো পরিস্থিতি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় চুক্তির স্থায়িত্ব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। খবর রয়টার্সের।

রোববার এক ফিলিস্তিনীর হামলায় দুই ইসরায়নি সৈন্য নিহত হওয়ার পর ইসরায়েল যখন পাল্টা বিমান হামলা চালায়, সে মর্মে অন্তত ২৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়। ওই ঘটনার পরও ইসরায়েল ও হামাস উভয়ই যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গড়া ২০ ধাপের যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনায় পুনরায় অঙ্গীকার পোষণ করেছে — তবে টানা সহিংসতা ও উত্তেজনার কারণে চুক্তি ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বৈঠকে মার্কিন উচ্চস্তরের দূত স্টিভ উইটকফ ও জেয়ারেড কুশনার অংশ নেন; এবং মঙ্গলবার দেশটিতে পৌঁছাবেন মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, বৈঠকে আঞ্চলিক চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাব্য সুযোগ নিয়ে দরকারি আলোচনা হবে। একইসঙ্গে কায়রোতেও হামাস প্রতিনিধিদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের আলোচনার একটি সেশন নির্ধারিত রয়েছে — এটি ট্রাম্প প্রশাসনের শান্তিচুক্তিকে স্থায়ী করার প্রচেষ্টার অংশ।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি বজায় রাখতে “একাধিক পদক্ষেপ” নিচ্ছে। ট্রাম্পের ভাষ্য, হামাসের চুক্তিভঙ্গ হলে তার দায় সরাসরি নেতৃত্বের নয়, “সংগঠনের ভেতরের কিছু বিদ্রোহীর” চলে আসা কর্মকাণ্ডের জন্যও হতে পারে; তিনি বলেছেন, “যদি হামাস নেতৃত্ব ব্যবস্থা না নেয়, তবে প্রয়োজনে আমরা তাদের নিশ্চিহ্ন করব — তবে এতে যুক্তরাষ্ট্রের স্থলসেনা যুক্ত থাকবেনা।”

বিশ্লেষকরা বলছেন, দুই বছরের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পরও এই চুক্তি দীর্ঘস্থায়ী শান্তি আনার নিশ্চয়তা দেয় না। হামাসকে নিরস্ত্রীকরণ, ইসরায়েলের সেনা প্রত্যাহার ও গাজার ভবিষ্যৎ প্রশাসন—এই তিনটি মূল ইস্যু এখনো মীমাংসিত হয়নি এবং এগুলোই চুক্তির টেকসইতা নির্ধারণ করবে।

গাজার ভেতরে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর ঘোষিত ‘হলুদ লাইন’ এলাকার কাছে সোমবার ট্যাংক-হামলায় আরও তিনজন প্রাণ হারিয়েছেন বলে ফিলিস্তিনি চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। ইসরায়েলি বাহিনী দাবি করেছে, ওই রেখা অতিক্রম করে হামাসের যোদ্ধারা প্রবেশের চেষ্টা করায় তারা গুলি চালিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, স্পষ্ট সীমারেখার অভাবে ‘হলুদ লাইন’-কে নিয়ে ব্যাপক বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে, যা সহিংসতা বাড়ানোর একটি কারণ হতে পারে।

বর্তমানে যুদ্ধবিরতি রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের তৎপরতা অব্যাহত থাকলেও, ভবিষ্যতে এটি কতটা টেকসই হবে এবং দুই বছরের সংঘাতের পর স্থায়ী শান্তি আনা সম্ভব হবে কি না—তা অনিশ্চিত রয়ে গেছে।

২৫১ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
International নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন