Latest

National

সরকারের নতুন সিদ্ধান্তে শাহবাগ ছাড়লেন প্রাথমিকের শিক্ষকরা

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬ ১০:০১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্তদের যোগদান ও পদায়নের নতুন সময়সূচি ঘোষণা করার পর রাজধানীর শাহবাগে চলমান অবস্থান কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা। সরকার ১ অক্টোবর যোগদান এবং ৪ অক্টোবর পদায়নের তারিখ নির্ধারণ করায় তাঁরা আন্দোলন স্থগিত করে সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

রোববার সকালে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে অবস্থান নেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীরা। সকাল ১১টার দিকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচির কারণে সড়কে যান চলাচলে সাময়িক বিঘ্ন ঘটে। পরে পুলিশ বিকল্প লেন ব্যবহার করে যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা করে।

দুপুরে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানায়, সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থী আগামী ১ অক্টোবর সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদান করবেন। একই সঙ্গে ৪ অক্টোবর তাঁদের বিদ্যালয়ে পদায়নের সময়সূচিও নির্ধারণ করা হয়েছে। এই ঘোষণার পর আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আলোচনা হয়। এরপর বেলা ২টার দিকে আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন শিক্ষকরা।

যদিও আন্দোলনের শুরুতে সুপারিশপ্রাপ্তদের দাবি ছিল, অক্টোবর নয়, চলতি আগস্ট মাসের মধ্যেই যোগদানের সুযোগ দিতে হবে। পাশাপাশি লিখিত প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে যোগদান ও পদায়নের নির্দিষ্ট তারিখ প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথাও জানিয়েছিলেন তাঁরা।

আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক দেবব্রত সরকার বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগের সুপারিশ পাওয়া সত্ত্বেও তাঁরা কর্মস্থলে যোগ দিতে পারেননি। এতে অনেক প্রার্থী আগের চাকরি ছেড়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন এবং আর্থিক ও সামাজিক নানা সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন।

মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ অক্টোবর যোগদানের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে সুপারিশপ্রাপ্তদের। এ ঘোষণার পর আন্দোলনকারীরা সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে শাহবাগ থেকে শান্তিপূর্ণভাবে সরে যান।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের শেষ দিকে দেশের ৬১ জেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুই ধাপে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। ১৪ হাজার ৩৮৫টি পদের বিপরীতে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন ৮ লাখ ৩০ হাজারের বেশি চাকরিপ্রার্থী। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা শেষে ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়। পরে সরকার পরিবর্তনের পর গত ১০ মে সুপারিশপ্রাপ্তদের বিষয়ে পুলিশি যাচাইয়ের নির্দেশ দেয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এরপর নিয়োগ প্রক্রিয়া বিলম্বিত হওয়ায় সুপারিশপ্রাপ্তদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয় এবং তাঁরা বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন।

১৭৯ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
National নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন