Latest

Country

নরসিংদীতে স্ত্রীকে গলা টিপে হত্যা: স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

শামীম মিয়া, নরসিংদী
শামীম মিয়া, নরসিংদী

শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬ ১২:১৭ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
নরসিংদীতে যৌতুকের দাবিতে সুমি আক্তার নামের এক প্রবাসফেরত স্ত্রীকে গলা টিপে হত্যার দায়ে স্বামী নূর আলম রূপাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল এই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেন।
নূর আলম রূপাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড

আদালত সূত্রে জানা গেছে, কিশোরগঞ্জের তারাইল উপজেলার ফজলু মিয়ার মেয়ে সুমি আক্তারের সঙ্গে নরসিংদীর পলাশ উপজেলার উত্তর মিয়াপাড়া গ্রামের নূর আলম রূপার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে সুমির ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করেন রূপা। একপর্যায়ে সুমির পরিবার দুই লাখ টাকা দিলেও রূপার টাকার লোভ কমেনি।

সংসারের সচ্ছলতা ফেরাতে এবং স্বামীর নির্মম নির্যাতন থেকে বাঁচতে সুমি আক্তার একপর্যায়ে প্রবাসে পাড়ি জমান। বিদেশে হাড়ভাঙা খাটুনি খেটে উপার্জিত সমস্ত অর্থ তিনি নিয়মিত স্বামীর কাছে পাঠাতেন। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে দেশে ফিরে সুমি জানতে পারেন যে তাঁর পাঠানো টাকার কোনো হিসাব নেই, উল্টো মোটরসাইকেল কেনার জন্য আবার টাকা দাবি করছেন স্বামী।

এই টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে ২০২৩ সালের ১৮ নভেম্বর রাতে রূপা তাঁর স্ত্রীকে নৃশংসভাবে মারধর ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। ঘটনার পর দিন সকালে পলাশ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সুমির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। এই ঘটনায় নিহতের বাবা ফজলু মিয়া বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলা দায়েরের পর পুলিশ তদন্ত শেষ করে আদালতে চার্জশিট জমা দেয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া, সাক্ষ্য-প্রমাণ ও নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে আদালতের বিচারক মুহম্মদ আলী আহসান আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের এই রায় প্রদান করেন।

১৫৮ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
Country নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন