Latest

National

৪ দফা দাবিতে ৩০ জুলাই ১৮ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে সিএনজি ফিলিং স্টেশন

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬ ১:১০ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
কমপ্রেসড ন্যাচারাল গ্যাস (সিএনজি) বিক্রিতে কমিশন বাড়ানোসহ চার দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে আগামী ৩০ জুলাই সারা দেশে ১৮ ঘণ্টা সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্সন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।

সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ রাখার এ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্সন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ৩০ জুলাই ভোর ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত দেশের সব সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গ্যাস বিক্রি বন্ধ থাকবে।

রাজধানীর বিজয়নগরের আকরাম টাওয়ারে মঙ্গলবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের স্টিয়ারিং কমিটির আহ্বায়ক আমিরুজ্জামান চৌধুরী এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

সংগঠনটি জানিয়েছে, কর্মসূচি চলাকালে সরকারের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত থাকবে। তবে দাবির বিষয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলে আগামী ২৩ আগস্ট থেকে সারা দেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ রাখার কর্মসূচি দেওয়া হবে।

সিএনজি ব্যবসায়ীদের মূল দাবি হলো, প্রতি ঘনমিটার সিএনজি বিক্রিতে কমিশন ৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩ টাকা ৯৬ পয়সা করা। সংগঠনের নেতারা জানান, ২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে এই কমিশন নির্ধারিত রয়েছে। এরপর গত ১১ বছরে মূল্যস্ফীতি, শ্রমিকদের বেতন, যন্ত্রপাতির দাম, ব্যাংক কমিশন, সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) ইজারা ফি এবং বিভিন্ন সরকারি লাইসেন্স ফি বেড়েছে।

তাদের দাবি, বর্তমান কমিশনে সিএনজি ফিলিং স্টেশন পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই পরিচালন ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কমিশন পুনর্নির্ধারণ প্রয়োজন।

কমিশন বাড়ানোর পাশাপাশি সংগঠনটির অন্য দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—গ্যাসের দাম বাড়লে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কমিশন সমন্বয়ের ব্যবস্থা করা, মূল্যবৃদ্ধির অজুহাতে পুরোনো গ্রাহকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত জামানত আদায় বন্ধ করা এবং সওজের ইজারা ফি ও সরকারি লাইসেন্স ফি যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনা।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ফারহান নূর বলেন, অতিরিক্ত মুনাফার জন্য নয়, বরং ব্যবসার পরিচালন ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কমিশন পুনর্নির্ধারণের দাবি জানানো হচ্ছে।

তিনি জানান, ২০১৭ সালে একটি সরকারি কমিটি প্রতি ঘনমিটার সিএনজি বিক্রিতে অতিরিক্ত ১ টাকা ৯৮ পয়সা মার্জিনের সুপারিশ করেছিল। পরে মূল্যস্ফীতি, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির কারণে পরিচালন ব্যয় আরও বেড়েছে। সর্বশেষ জুন মাসে বিদ্যুতের দাম ১৯ শতাংশ বাড়ায় প্রতি ঘনমিটারে পরিচালন ব্যয় ৮৬ পয়সা বেড়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

সংগঠনের নেতারা অভিযোগ করেন, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে একাধিকবার আবেদন করেও কার্যকর সাড়া পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ না পাওয়ার অভিযোগও করেন তারা।

এ পরিস্থিতিতে গত ১৮ জুলাই সংগঠনের জরুরি সাধারণ সভায় ১২ সদস্যের একটি স্টিয়ারিং কমিটি গঠন করা হয়। পরে এই কমিটি আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করে।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সভাপতি মনোরঞ্জন ভক্তসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

১৯৭ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
National নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন