Latest

National

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই আগামী নির্বাচন হবে: আইনমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬ ৮:৩০ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে করা আপিল খারিজ করে দিয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত। এর পরিপ্রেক্ষিতে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই অনুষ্ঠিত হবে। তিনি এটিকে সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার হিসেবে উল্লেখ করেছেন।ৱ
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান

সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিল খারিজ করেছেন আপিল বিভাগ। ফলে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রয়েছে। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে।

এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, “ইনশা আল্লাহ। এটা আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গীকার। তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিএনপির আন্দোলনের ফসল।”

এর আগে আপিল বিভাগের রায়ের পর অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান, পঞ্চদশ সংশোধনী চ্যালেঞ্জ করে করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছিলেন, তা বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।

তিনি বলেন, হাইকোর্টের রায়ে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সংবিধানে পুনর্বহাল, গণভোটের বিধান ফিরিয়ে আনা এবং সংবিধানের কয়েকটি অনুচ্ছেদ বাতিলের বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছিল, সেগুলো বহাল রয়েছে।

২০১১ সালের ৩০ জুন তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আইন সংসদে পাস করে। এই সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলসহ সংবিধানের বেশ কিছু বিষয়ে পরিবর্তন আনা হয়। এতে সংবিধানের ৫৪টি ক্ষেত্রে সংশোধন করা হয়েছিল।

পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে জাতীয় চার মূলনীতি—জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা পুনর্বহাল করা হয়। পাশাপাশি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির পিতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া এবং অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের বিরুদ্ধে শাস্তির বিধান যুক্ত করা হয়।

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টে দুটি রিট করা হয়। শুনানি শেষে ২০২৪ সালের ১৭ ডিসেম্বর হাইকোর্ট রায় দেন। ওই রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ও গণভোট বাতিলসংক্রান্ত পঞ্চদশ সংশোধনীর দুটি ধারা বাতিল ঘোষণা করা হয়।

এ ছাড়া সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে যুক্ত ৭(ক), ৭(খ) ও ৪৪(২) অনুচ্ছেদের অংশবিশেষ সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক উল্লেখ করে বাতিল ঘোষণা করেন হাইকোর্ট।

হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর ওই রায়ের বিরুদ্ধে সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ চার বিশিষ্ট ব্যক্তি আপিল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন। পরে আপিল বিভাগ লিভ মঞ্জুর করে শুনানির অনুমতি দেন। সেই আপিলগুলোর নিষ্পত্তিতে বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের রায় বহাল রাখা হয়েছে।

১৭৮ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
National নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন