Latest

Country

ফরিদপুরে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার মামলায় পরিচালকের ১০ বছরের কারাদণ্ড

আবিদ জামান, ফরিদপুর
আবিদ জামান, ফরিদপুর

শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬ ৪:৩৬ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ফরিদপুর শহরের একটি মহিলা মাদ্রাসার আবাসিক ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে মাদ্রাসার পরিচালক মো. আশরাফ আলীকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ আসামির সম্পত্তি বিক্রি করে ভুক্তভোগী পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ফরিদপুর শহরে নিজ প্রতিষ্ঠানের এক আবাসিক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার দায়ে মাদ্রাসার পরিচালক মো. আশরাফ আলী (৪৬)কে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা দায়রা জজ শামীমা পারভীন এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

আদালত সূত্রে জানা যায়, দণ্ডপ্রাপ্ত আশরাফ আলী ফরিদপুর শহরের দক্ষিণ গোয়ালচামট এলাকায় অবস্থিত রওজাতুন-নেছা মহিলা মাদ্রাসার পরিচালক ছিলেন। তিনি মাদ্রাসা ভবনের একটি কক্ষে পরিবারসহ বসবাস করতেন।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, ভুক্তভোগী কিশোরী ওই মাদ্রাসার আবাসিক শিক্ষার্থী ও হেফজ বিভাগের ছাত্রী ছিল। ২০২৫ সালের ২৩ এপ্রিল বিকেলে তাকে মাদ্রাসার হেফজখানার পাশের একটি কক্ষে ডেকে নেন পরিচালক আশরাফ আলী। ওই সময় তাঁর পরিবারের সদস্যরা বাসায় ছিলেন না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে কিশোরী সেখান থেকে বেরিয়ে এসে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানায়।

পরিবারের পক্ষ থেকে স্থানীয়ভাবে বিষয়টির সমাধানের চেষ্টা করা হলেও তা সফল হয়নি। পরে শিক্ষার্থীর বাবা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন।

তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ৩১ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নূর হোসেন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলার বিচারিক কার্যক্রম চলাকালে আসামি জামিনে মুক্তি পেলেও যুক্তিতর্ক পর্বের পর থেকে পলাতক রয়েছেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া বলেন, আদালত জরিমানার ৭০ হাজার টাকা দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে ভুক্তভোগী পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, আদালতের এ রায় নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে আইনের কঠোর প্রয়োগের একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

৩৭১ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
Country নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন