Latest

Country

কালাইয়ে হিমাগার ভাড়া কমানোর দাবিতে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন

স্টাফ রিপোর্টার, জয়পুরহাট
স্টাফ রিপোর্টার, জয়পুরহাট

রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬ ১১:৫৩ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
জয়পুরহাটের কালাইয়ে হিমাগারে আলু সংরক্ষণের ভাড়া কমানোর দাবিতে পৃথক মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন আলু চাষি ও ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিষ্ট সংগঠনের নেতারা। রবিবার দুপুরে মোলামগাড়িহাট নর্থপোল কোল্ড স্টোরেজ ও কালাই পৌর শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।


মানববন্ধন

মানববন্ধনে অংশ নিয়ে বক্তারা অভিযোগ করেন, কালাই উপজেলার হিমাগারগুলোতে আলু সংরক্ষণে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। তাদের দাবি, প্রতি কেজি আলু সংরক্ষণের ভাড়া ৫ টাকা নির্ধারণ করতে হবে এবং বর্তমান অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার দ্রুত সমাধান করতে হবে।

নর্থপোল কোল্ড স্টোরেজের সামনে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন কৃষক, সংরক্ষণকারী ও ব্যবসায়ী সংগঠনের সভাপতি তাজমিলুর রহমান মানিক, ব্যবসায়ী মাসুদুর রহমান, গোলাম মোস্তফা, রেজাউল ইসলাম, বুলবুল আহম্মেদ, কাইয়ুম হোসেন, আলু চাষি রিপন আহমেদ, কামাল হোসেন ও তছলিম উদ্দিনসহ অনেকে।

বক্তারা বলেন, কালাই উপজেলায় জেলায় মোট ১৯টি হিমাগারের মধ্যে ১২টিই অবস্থিত। ফলে এখানেই সবচেয়ে বেশি আলু সংরক্ষণ হয়। কিন্তু মালিকপক্ষ ‘সিন্ডিকেট’ করে ৬০ কেজি ওজনের প্রতি বস্তায় ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত ভাড়া নিচ্ছে, যা কৃষক ও ব্যবসায়ীদের জন্য বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা প্রতি কেজি ৫ টাকা হিসেবে প্রতি বস্তায় ৩০০ টাকা ভাড়া নির্ধারণের দাবি জানান।

এ সময় তারা অভিযোগ করেন, অতিরিক্ত ভাড়ার কারণে গত এক সপ্তাহ ধরে হিমাগারে আলু কেনাবেচা বন্ধ রয়েছে। দাবি না মানলে আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারিও দেন বক্তারা।

এদিকে নর্থপোল কোল্ড স্টোরেজের ব্যবস্থাপক মনোয়ার হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাদের হিমাগারে ভাড়া তুলনামূলকভাবে কম রাখা হয়েছে। সরকার নির্ধারিত নীতিমালার মধ্যেই তারা ভাড়া নিচ্ছেন। প্রয়োজন হলে আলোচনা করে সমাধানে যেতে প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।

অন্যদিকে উপজেলা শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় উপজেলা ভ্যালু চেইন প্রমোশনাল অর্গানাইজেশন আলুর ব্যানারে আরও একটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে তিন শতাধিক কৃষক ও ব্যবসায়ী অংশ নেন। সেখানে সংগঠনের সভাপতি এ.কে.এম রেজাউল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ হোসেন, ব্যবসায়ী আব্দুল হান্নান ও কৃষক নুর আলমসহ অনেকে বক্তব্য দেন।

তারা বলেন, হিমাগার মালিকদের অতিরিক্ত ভাড়ার কারণে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এবং বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। দ্রুত ভাড়া যৌক্তিক পর্যায়ে নির্ধারণের দাবি জানান তারা।

বাংলাদেশ হিমাগার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বলেন, সরকার নির্ধারিত ভাড়ার তুলনায় বর্তমানে কিছুটা সমন্বয় করে ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। এখানে কোনো সিন্ডিকেট নেই। বিদ্যুৎসহ পরিচালন ব্যয় বৃদ্ধির কারণে ভাড়া সমন্বয়ের প্রয়োজন হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

এ বিষয়ে কালাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম আরা জানান, বিষয়টি ইতোমধ্যে জেলা পর্যায়ে আলোচনা হয়েছে। হিমাগার কর্তৃপক্ষকে কৃষক ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে স্বচ্ছভাবে ভাড়ার বিষয়টি জানাতে বলা হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে ভাড়া পুনর্বিবেচনার বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

১৭৮ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
Country নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন