Latest

Country

বাগমারার ওসি কমলেশ দাসকে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে ক্লোজড

মুরাদুল ইসলাম সনেট, রাজশাহী
মুরাদুল ইসলাম সনেট, রাজশাহী

মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬ ১২:২১ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
রাজশাহীর বাগমারা থানার ওসি (তদন্ত) কমলেশ দাসের বিরুদ্ধে অবৈধ অর্থ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে।
বাগমারার ওসি কমলেশ দাস

ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাকে কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ সূত্র।

রাজশাহী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাবিনা ইয়াসমিন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে কমলেশ দাসকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং বিষয়টি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।

জানা যায়, গত রোববার (৭ জুন) সন্ধ্যার পর ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে থানার একটি কক্ষে ওসি (তদন্ত) কমলেশ দাসকে একজন ব্যক্তির কাছ থেকে এক হাজার টাকার নোটের একটি বান্ডিল গ্রহণ করতে দেখা যায়। ভিডিওতে অর্থ গ্রহণের পর তা গণনা করে নিজের মানিব্যাগে রাখার দৃশ্যও দেখা যায় বলে দাবি করা হয়েছে। ভিডিওটি প্রকাশের পর এলাকায় ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

স্থানীয়দের একাংশের দাবি, ভিডিওটি ঘুষ লেনদেনের প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তবে ভিডিওটির সত্যতা ও প্রেক্ষাপট এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

এদিকে স্থানীয় সূত্রে আরও অভিযোগ উঠেছে যে, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ পুকুর খনন ও মাটি পরিবহনের সঙ্গে জড়িতদের কাছ থেকে দীর্ঘদিন ধরে অর্থ আদায়ের ঘটনা ঘটতে পারে। অভিযোগে বলা হয়েছে, এক্সকাভেটর (ভেকু) মেশিনের ব্যাটারি খুলে থানায় নিয়ে যাওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে। তবে এসব অভিযোগেরও আনুষ্ঠানিক সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, অভিযুক্ত ওসি (তদন্ত) কমলেশ দাস অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ভিডিওটি উদ্দেশ্যমূলকভাবে ধারণ ও প্রচার করা হয়েছে। তার দাবি অনুযায়ী, এটি হয়তো মেসের খাবারের টাকা হতে পারে, যা ম্যানেজারের মাধ্যমে দেওয়া হয়েছিল।

এ বিষয়ে বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

রাজশাহী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাবিনা ইয়াসমিন আরও জানান, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঘটনাটি ঘিরে স্থানীয় ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। অনেকেই নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।

২১২ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
Country নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন