Latest

Country

বরিশালে ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজের দুর্নীতির অভিযোগে আদালতের স্বপ্রণোদিত তদন্তের নির্দেশ

বরিশাল প্রতিনিধি
বরিশাল প্রতিনিধি

সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬ ২:৪২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
বরিশাল নগরীর ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজ-এ অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের ঘটনায় আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে বরিশালের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এস এম শরিয়ত উল্লাহ এ নির্দেশনা দেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, একটি মিস কেস (নং-০২/২০২৬) দায়ের করে বিচারক বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারকে নির্দেশ দিয়েছেন, অন্তত উপ-পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তার মাধ্যমে অভিযোগগুলোর তদন্ত সম্পন্ন করে আগামী ১৫ জুনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে।

আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, কলেজ কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রশিক্ষণের নামে অর্থ আদায় করেছে কি না, আদায় করা অর্থের পরিমাণ, সেই অর্থ গ্রহণে আর্থিক বিধি লঙ্ঘন হয়েছে কি না এবং এ ঘটনায় কারা জড়িত—এসব বিষয়ে বিস্তারিত অনুসন্ধান করতে হবে। পাশাপাশি শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এর কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে।

সম্প্রতি একটি টেলিভিশন প্রতিবেদনে অভিযোগ ওঠে, কলেজটির বিএসসি নার্সিং কোর্সের প্রায় ২০০ শিক্ষার্থীর কাছ থেকে সরকারি হাসপাতালে প্রশিক্ষণের সুযোগ দেওয়ার কথা বলে জনপ্রতি ১০ হাজার টাকা করে মোট প্রায় ২৭ লাখ টাকা আদায় করা হয়েছে। পরে এ অভিযোগ প্রকাশ্যে এলে শিক্ষার্থীরা টাকা ফেরতের দাবিতে বিক্ষোভ, অনশন ও শিক্ষকদের অবরুদ্ধ করার কর্মসূচি পালন করেন।

অভিযোগের বিষয়ে কলেজ চেয়ারম্যান মো. জহিরুল ইসলাম দাবি করেছেন, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া অর্থ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হয়েছে। তবে হাসপাতাল প্রশাসন এ দাবি অস্বীকার করে জানিয়েছে, সরকারি হাসপাতালে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণের নামে অর্থ গ্রহণের কোনো আইনি বিধান নেই।

অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে আরও উঠে এসেছে, সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানের নামে বরিশাল, পটুয়াখালী ও মাদারীপুর এলাকায় কাগজে-কলমে একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকলেও বাস্তবে সেগুলোর অনেকগুলোর অস্তিত্ব নেই। সরকারি পরিদর্শন এড়াতে একই ভবনে ভিন্ন ভিন্ন সাইনবোর্ড ব্যবহার করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

আদালত তার পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করেন, অভিযোগ প্রমাণিত হলে তা দণ্ডবিধির প্রতারণা ও আত্মসাত-সংক্রান্ত একাধিক ধারার পাশাপাশি দুর্নীতি দমন কমিশন আইন এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের আওতায় গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।

এ ঘটনায় আদালতের নির্দেশের পর কলেজের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। তাদের আশা, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা উদঘাটিত হবে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২০৫ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
Country নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন