Latest

National

দেশীয় স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হলে বাণিজ্য চুক্তি সংশোধনের সুযোগ রয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার, সিলেট
স্টাফ রিপোর্টার, সিলেট

শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬ ১১:৩৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পাদিত রাষ্ট্রীয় বাণিজ্য চুক্তি সহজে পরিবর্তন বা বাতিল করা যায় না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তবে কোনো চুক্তির ধারা দেশের স্বার্থবিরোধী হলে তা সংশোধনের সুযোগ থাকে—এমন বিধান চুক্তিতেই অন্তর্ভুক্ত থাকে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

শুক্রবার সকালে সিলেটের বাইশটিলা এলাকায় জেলা পরিষদের উদ্যোগে নির্মাণাধীন ন্যাচারাল পার্ক পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রীয় চুক্তি সাধারণ ব্যক্তিগত চুক্তির মতো নয়। এতে দুই দেশেরই স্বার্থ জড়িত থাকে। কিছু বিষয় এক পক্ষের অনুকূলে যেতে পারে, আবার কিছু অন্য পক্ষের। সবকিছু বিবেচনায় নিয়েই “উইন-উইন পরিস্থিতি” তৈরি করা হয়।

তিনি আরও জানান, চুক্তি বাস্তবায়নের সময় যদি দেখা যায় কোনো ধারা দেশের স্বার্থের পরিপন্থী, তাহলে তা পুনর্বিবেচনা বা সংশোধনের সুযোগ থাকে।

মূল্যস্ফীতি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব বাজারে দীর্ঘস্থায়ী হবে না। এটি সাময়িক প্রভাব ফেলতে পারে। তার ভাষায়, ডিজেলের দাম যেভাবে বেড়েছে, তাতে অযৌক্তিকভাবে পণ্যের দাম বাড়ার সুযোগ নেই। কেউ অকারণে দাম বাড়ালে সরকারের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, “আগাম ধারণার ভিত্তিতে পণ্যের দাম বাড়ানো গ্রহণযোগ্য নয়।”

দেশের বন্দর ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দক্ষতার অভাবে বন্দরে পণ্য পরিবহনে খরচ বেশি হচ্ছে। এ সমস্যা সমাধানে আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে একজন ডেনিশ বিশেষজ্ঞকেও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এতে ভবিষ্যতে ইউনিটপ্রতি খরচ কমে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সরকারি শিল্প প্রতিষ্ঠান বেসরকারিকরণ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সরকার ব্যবসা পরিচালনার জন্য নয়। অনেক রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান লোকসানে চলায় জনগণের অর্থের অপচয় হচ্ছে। তাই লোকসানি প্রতিষ্ঠানগুলো বেসরকারি খাতে হস্তান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যাতে সেগুলো পুনরায় চালু হয়ে কর্মসংস্থান ও রাজস্ব আয় বাড়াতে পারে।

এ সময় তিনি বাইশটিলায় নির্মাণাধীন ন্যাচারাল পার্ক প্রকল্প সম্পর্কেও বিস্তারিত জানান। তিনি বলেন, জেলা পরিষদের অধীনে ৪৩ একর জায়গাজুড়ে আধুনিক পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলা হচ্ছে। এখানে ক্যাবল কার, রোপ ব্রিজসহ শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য নানা বিনোদন সুবিধা থাকবে। প্রকল্পটির জন্য একটি মাস্টারপ্ল্যান প্রস্তুত করা হয়েছে এবং সরকার এর অর্থায়ন করবে।

পরিদর্শনকালে জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীমসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

১৭১ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
National নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন