Latest

Country

হালদা নদীতে মা মাছের ডিম ছাড়ার আভাস, জেলেদের মাঝে আশার সঞ্চার

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম
স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম

শনিবার, ২ মে, ২০২৬ ৩:০৬ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
চট্টগ্রামের হালদা নদী-এ রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালবাউশসহ অন্তত ৯ প্রজাতির মা মাছ নমুনা ডিম ছেড়েছে। দেশের মিঠা পানির মাছের একমাত্র প্রাকৃতিক প্রজননকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত এই নদীতে ডিম ছাড়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই গত রাত থেকেই জেলেরা নৌকা ও জাল নিয়ে ডিম সংগ্রহে নদীতে নেমে পড়েন।

নদীর হাটহাজারী উপজেলা-র গড়দোয়ারা ইউনিয়নের নয়াহাট, রাউজান উপজেলা-এর পশ্চিম গুজরা আজিমের ঘাট এবং নাপিতের ঘাট এলাকায় মা মাছ ডিম ছাড়ার প্রমাণ মিলেছে। ডিম সংগ্রহকারীরা জানান, কেউ কেউ ১০০ থেকে ২০০ গ্রাম পর্যন্ত ডিম সংগ্রহ করতে পেরেছেন। আবার দুপুরের দিকে কয়েকজন জেলে এক থেকে দেড় কেজি পর্যন্ত ডিম পাওয়ার কথাও জানিয়েছেন।

মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিবছর এপ্রিল থেকে জুলাই পর্যন্ত হালদা নদীতে কার্পজাতীয় মাছের প্রজনন মৌসুম চলে। এ সময়ে বজ্রসহ বৃষ্টি এবং পাহাড়ি ঢলের পানি নামলে মা মাছ ডিম ছাড়ে। এই মৌসুমে প্রায় ৫০০ থেকে ৭০০ জন ডিম সংগ্রহকারী নদীতে অবস্থান নেন। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ডিমের পরিমাণ কমে যাওয়ায় সংগ্রহকারীর সংখ্যাও হ্রাস পেয়েছে।

হালদা গবেষকদের মতে, আগামী জুন মাসে অমাবস্যা ও পূর্ণিমার জোয়ারে বড় পরিসরে ডিম ছাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আজকের পূর্ণ জোয়ার ও ভাটাতেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ডিম ছাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হালদা নদীর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এখানে প্রাকৃতিকভাবে কার্পজাতীয় মাছ ডিম ছাড়ে। বজ্রসহ বৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল এবং স্রোতের বিশেষ সমন্বয়ে তৈরি হয় এই অনন্য পরিবেশ, যার কারণে হালদাকে মা মাছের ‘মেটারনিটি ক্লিনিক’ বলা হয়।

সকালে নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে ডিম সংগ্রহে নেমে ভালো ফল পাওয়ায় জেলেদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে। মৎস্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, অনুকূল পরিবেশ বজায় থাকলে এ বছর হালদা থেকে বিপুল পরিমাণ ডিম আহরণের সম্ভাবনা রয়েছে।

১৮৮ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
Country নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন