Latest

Country

চিতলমারীতে আমির হামজার দাফন সম্পন্ন, ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা

স্টাফ রিপোর্টার, বাগেরহাট
স্টাফ রিপোর্টার, বাগেরহাট

শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬ ৫:৫৮ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
বাগেরহাটের চিতলমারীতে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত আমির হামজা (২৫)-এর দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেলে উপজেলার শিবপুর গ্রামে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে নিজ গ্রামের বাড়িতে প্রবেশ করে দুর্বৃত্তরা তাকে গুলি করে হত্যা করে। পরে তার মরদেহ বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে নেওয়া হলে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়।

নিহত আমির হামজা শিবপুর গ্রামের রুহুল আমিন মুন্সির ছেলে। তিনি খুলনা সরকারি সুন্দরবন কলেজের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় ২০ বছর আগে তার বাবা পরিবারসহ পৈত্রিক ভিটা ছেড়ে খুলনায় বসবাস শুরু করেন। সম্প্রতি আমির হামজা ঢাকাতেও অবস্থান করছিলেন। ঈদ উপলক্ষে তিনি গ্রামে এসে চাচার বাড়িতে উঠেছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আমির হামজার বিরুদ্ধে হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। তিনি খুলনার একটি সন্ত্রাসী গ্রুপের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। রূপসা এলাকার আব্দুল বাছেদ বিকুল হত্যা মামলারও তিনি এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন এবং একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।

এ ঘটনায় নিহতের মা মেহেরুননেসা নাছরিন বাদী হয়ে ৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ২-৩ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। তবে মামলার স্বার্থে আসামিদের নাম প্রকাশ করেনি পুলিশ। তারা বাগেরহাট ও খুলনার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

নিহতের ছোট ভাই আরমান মুন্সি জানান, ঈদের দুই দিন আগে তারা গ্রামের বাড়িতে আসেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে খুলনায় ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতির সময় গামছা বিক্রেতার ছদ্মবেশে এক ব্যক্তি বাড়িতে প্রবেশ করে। পরে হেলমেট ও মাস্ক পরিহিত আরও কয়েকজন অস্ত্রসহ ভেতরে ঢুকে পড়ে। তারা আমির হামজাকে ধাওয়া করলে তিনি পালিয়ে ছাদে উঠে যান এবং পরে পাশের চিত্রা নদীতে ঝাঁপ দেন। সেখানেই তাকে গুলি করা হয়।

একজন স্থানীয় বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বাড়ির চারপাশে আগে থেকেই কয়েকজন অবস্থান করছিল। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই হামলা চালিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে দুর্বৃত্তরা।

চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম খান বলেন, ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ দাফন করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ৭ মার্চ মোল্লাহাট উপজেলার কাহালপুর এলাকায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় নূর ইসলাম (২৭) নামে এক যুবককে উদ্ধার করা হয়। এর সাত দিন পর ১৪ মার্চ রাতে একই উপজেলার সদর বাজার এলাকায় সোহাগ শেখ (৪২) নামে এক ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এসব ঘটনার পরও এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

২০১ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
Country নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন