Latest

Country

কুয়াকাটায় ঈদ আনন্দ ছড়াতে সাবেক মেয়রের শাড়ি বিতরণ

এ এম মিজানুর রহমান বুলেট, কলাপাড়া, পটুয়াখালী
এ এম মিজানুর রহমান বুলেট, কলাপাড়া, পটুয়াখালী

বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬ ৪:২৯ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে উপকূলীয় জনপদ পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দিতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন পৌরসভার সাবেক মেয়র আনোয়ার হাওলাদার।

আজ বুধবার (১৮ মার্চ) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত তার নিজ বাড়িতে প্রায় পাঁচ হাজার অসহায় ও দুস্থ নারীর মাঝে শাড়ি বিতরণ করা হয়েছে।

সকাল থেকেই বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে নারীরা দলে দলে এসে জড়ো হন আনোয়ার হাওলাদারের বাড়ির সামনে। কেউ এসেছেন পরিবারের জন্য, কেউবা নিজের জন্য একটি নতুন শাড়ির আশায়। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েও তাদের মাঝে ছিল না কোনো বিরক্তি; বরং ঈদের আগে এমন একটি উপহার পাওয়ার আনন্দই ছিল মুখ্য।

জানাগেছে, প্রতি বছরের মতো এবারও ঈদ উপলক্ষে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, স্বেচ্ছাসেবক এবং এলাকাবাসীর সহযোগিতায় সুশৃঙ্খলভাবে বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। পুরো প্রক্রিয়ায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, যাতে কেউ ভোগান্তিতে না পড়েন।

শাড়ি নিতে আসা অনেকেই জানান, বর্তমান দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে নতুন কাপড় কেনা অনেকের পক্ষেই কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। সেখানে এমন উদ্যোগ তাদের ঈদের আনন্দকে বাড়িয়ে দিয়েছে।

এক উপকারভোগী বলেন, “আমাদের মতো গরিব মানুষের জন্য এই শাড়ি অনেক বড় পাওয়া। অন্তত ঈদের দিন নতুন কাপড় পরে আনন্দ করতে পারবো।”

এ বিষয়ে সাবেক মেয়র আনোয়ার হাওলাদার বলেন, “ঈদ মানেই আনন্দ ভাগাভাগি করা। সমাজের সামর্থ্যবানরা যদি এগিয়ে আসেন, তাহলে অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানো সম্ভব। আমি চেষ্টা করেছি আমার সামর্থ্য অনুযায়ী কিছু করার। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”

স্থানীয়দের মতে, এমন উদ্যোগ শুধু আর্থিক সহায়তা নয়; বরং সামাজিক সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। কুয়াকাটার মতো পর্যটননির্ভর এলাকায় যেখানে অনেক পরিবার মৌসুমি আয়ের ওপর নির্ভরশীল, সেখানে ঈদের আগে এই ধরনের সহায়তা বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

আনোয়ার হাওলাদারের এই উদ্যোগ কেবল শাড়ি বিতরণে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি সমাজের অস্বচ্ছল মানুষের পাশে দাঁড়ানোর একটি মানবিক বার্তা। ঈদের আনন্দ যেন সবার মাঝে সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ে—এই প্রত্যাশায় এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।

৩৩৩ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
Country নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন