Latest

Country

পিরোজপুরে মাথা কেটে হত্যা: প্রেস ব্রিফিংয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য র‌্যাব ও পুলিশের

আযরাফ ফাতিন নাফিউ, পিরোজপুর
আযরাফ ফাতিন নাফিউ, পিরোজপুর

সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬ ২:৩১ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় মাদক ও নারী সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বন্ধুকে নৃশংসভাবে হত্যা করে তার মাথা বিচ্ছিন্ন করার চাঞ্চল্যকর ঘটনার রহস্য উদঘাটনের চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছে পুলিশ ও র‌্যাব।

ঘটনার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই যৌথ অভিযানে দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রবিবার (১৫ মার্চ) দুপুরে পিরোজপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত র‌্যাব ও পুলিশের যৌথ প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী।

পুলিশ সুপার জানান, নিহত গোপাল চন্দ্র দাস এবং গ্রেপ্তার হওয়া দুইজনই মাদককারবারের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, নারী ও মাদক সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে পূর্বপরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।

তিনি আরও জানান, হত্যার পর অভিযুক্তরা নিহতের মাথা এবং হত্যায় ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র নদীতে ফেলে দেয়। এখনো পর্যন্ত সেগুলো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তবে গ্রেপ্তারকৃতদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে বলে আশা করছে পুলিশ।

র‌্যাব-৮ এর কোম্পানি কমান্ডার মোহাম্মাদ কামরুজ্জামান জানান, ঘটনার পর পুলিশ র‌্যাবের সহযোগিতা চাইলে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় দ্রুত অভিযুক্তদের শনাক্ত করা হয়। শনিবার দুপুর ২টার দিকে বরিশাল সদর উপজেলার কাশিপুর চৌমাথা এলাকার গণপাড়া থেকে সম্রাটকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই দিন রাত ৮টার দিকে বরিশাল নগরীর স্টিমারঘাট এলাকা থেকে রাজুকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ও একটি হাতুড়ি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার বিকেলে বরিশালের কাশিপুর এলাকার পরিমল চন্দ্র দাসের ছেলে ও ট্রাকচালক গোপাল চন্দ্র দাস (৪৫)-কে পূর্বপরিকল্পিতভাবে মোটরসাইকেলে করে নেছারাবাদ উপজেলার সমুদয়কাঠি ইউনিয়নের পূর্ব সারেংকাঠি গ্রামের সন্ধ্যা নদীর পাড়ে একটি ইটভাটার পাশে নিয়ে যায় রাজু ও সম্রাট। সেখানে তাকে হত্যা করে শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে নদীতে ফেলে দেয় তারা।

পরে স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নেছারাবাদ থানা পুলিশ ওই দিন বিকেলে অজ্ঞাত পরিচয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

পরবর্তীতে তদন্ত ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় র‌্যাব ও পুলিশের যৌথ অভিযানে বরিশালের কাশিপুর এলাকার আমির হোসেনের ছেলে তারিকুল ইসলাম ওরফে সম্রাট (৩৪) এবং পিরোজপুরের দুর্গাপুর এলাকার বাবুল হোসেন মাঝির ছেলে আবেদিন মাঝি ওরফে রাজু (৪২)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, সম্রাট বরিশালের একজন ওষুধ ব্যবসায়ী এবং রাজু পেশাদার মাদককারবারি।

এ ঘটনায় নিহতের ভাই মানিক চন্দ্র দাস অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে নেছারাবাদ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে সোপর্দ করে রিমান্ড আবেদন করা হবে এবং জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের পেছনের আরও তথ্য উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।

২১৮ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
Country নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন