Latest

Country

স্বল্প বাজেটে স্থায়ীত্বের চমক, নিম্ন-মধ্যবিত্তের আস্থার নাম 'দেশীয় পাদুকা'

স্টাফ রিপোর্টার, মানিকগঞ্জ
স্টাফ রিপোর্টার, মানিকগঞ্জ

বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬ ২:৪১ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ঈদকে ঘিরে জমে উঠেছে দেশীয় পাদুকা বাজার, বাড়ছে নিম্ন ও মধ্যবিত্তের আগ্রহ

আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে দেশজুড়ে উৎসবের আমেজের সঙ্গে চাঙ্গা হয়ে উঠেছে দেশের পাদুকা শিল্প। নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত মানুষের বড় একটি অংশের সাধ ও সাধ্যের সঙ্গে মানানসই হওয়ায় এ উৎসবে দেশীয় পাদুকাই তাদের প্রধান পছন্দ। একদিকে কারিগরদের ব্যস্ততা, অন্যদিকে ক্রেতাদের ভিড়ে সরগরম হয়ে উঠেছে স্থানীয় পাদুকার বাজার।

বুধবার (১১ মার্চ) জেলা শহরের বিভিন্ন ছোট-বড় দেশীয় পাদুকা মার্কেটে ক্রেতাদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ঈদকে সামনে রেখে জেলা শহরের শহীদ রফিক সড়কের আশপাশের সব শপিংমলেই কেনাকাটায় ব্যস্ত সময় পার করছেন দোকানি ও ক্রেতারা। তুলনামূলক কম দাম ও ভালো মানের কারণে এবারের ঈদে দেশীয় পাদুকার চাহিদা অনেকটাই বেড়েছে। নামি-দামি বিদেশি ব্র্যান্ডের জুতার সঙ্গে প্রতিযোগিতা করেই বিক্রি হচ্ছে স্থানীয়ভাবে তৈরি এসব পাদুকা।

এক সময় সাদামাটা ডিজাইনের কারণে দেশীয় পাদুকার চাহিদা কম থাকলেও বর্তমানে আধুনিক ডিজাইন ও মানের কারণে বাজারের বড় একটি অংশ দখল করে নিয়েছে দেশীয় কারখানায় তৈরি জুতা। বিদেশি ডিজাইন অনুসরণ করে তৈরি করা হচ্ছে বাহারি চামড়ার চটি, লোফার, আধুনিক স্যান্ডেল, নাগরা, হিল ও স্টোন বসানো স্যান্ডেল। ফলে পুরুষদের পাশাপাশি নারীদের মাঝেও দেশীয় পাদুকার চাহিদা বেড়েছে। ব্র্যান্ডের জুতার তুলনায় দেশীয় পাদুকা ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কম দামে পাওয়া যায়। এ কারণেই নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত মানুষের কাছে “মেইড ইন বাংলাদেশ” ট্যাগ লাগানো পাদুকা এখন ভরসার নাম হয়ে উঠেছে।

তবে ক্রমবর্ধমান চাহিদার তুলনায় যোগান দিতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে পাদুকা শিল্পীদের। ফলে দিন-রাত একযোগে কাজ করতে হচ্ছে তাদের।

সদর উপজেলার মেঘশিমুল এলাকা থেকে আসা ক্রেতা সাব্বির হোসেন বলেন, প্রায় দশ-পনেরো দিন আগে অনলাইনে একটি চায়না জুতা দেখেছিলাম। দাম বেশি হওয়ায় অর্ডার দেইনি। পরে ‘আনন্দ সু’ স্টোরে সেই জুতার ছবি প্রিন্ট করে নিয়ে আসি। তারা একই ডিজাইনে জুতা তৈরি করে দিয়েছে। এক বছরের গ্যারান্টিসহ অর্ধেক দামে জুতা পেয়েছি।

খন্দকার আলমগীর নামের আরেক ক্রেতা বলেন, গত কয়েক বছর ধরে আমি দেশীয় জুতা ব্যবহার করছি। অনেক নামি-দামি ব্র্যান্ডের তুলনায় এগুলো বেশি টেকসই এবং মানেও ভালো।

মনোয়ারা বেগম নামের এক নারী ক্রেতা বলেন, আমাদের মতো নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য টেকসই ও কম দামের জুতা প্রয়োজন। বড় বড় মার্কেটে জুতার দাম অনেক বেশি। সাধ থাকলেও সাধ্য নেই, তাই দেশীয় জুতা কিনছি।

পাদুকা কারিগর নিখিল সরকার বলেন, রোজার শুরু থেকেই বাজার চাঙ্গা রয়েছে। দিন যত ঘনিয়ে আসছে ততই বাড়ছে পাদুকার চাহিদা। তাই এখন দিন-রাত একযোগে কাজ করতে হচ্ছে।

‘আনন্দ সু’ স্টোরের কর্ণধার আনন্দ কুমার সরকার বলেন, বর্তমানে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বিক্রি হচ্ছে আমাদের তৈরি পাদুকা। আমরা কম লাভে ভালো মানের পাদুকা তৈরি করি বলেই ক্রেতাদের চাহিদাও বেশি।

২২০ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
Country নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন