Latest

National

তেল সরবরাহে সীমা বেঁধে দিল বিপিসি, ফিলিং স্টেশনে ভিড়

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬ ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে দেশে জ্বালানি তেলের সংকটের গুজব ছড়িয়ে পড়ায় অনেকেই প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল কিনতে ফিলিং স্টেশনগুলোতে ভিড় করছেন। এমন পরিস্থিতি মোকাবিলায় তেল সরবরাহে সীমা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।

শুক্রবার (৬ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে বিপিসি জানায়, তেলের অস্বাভাবিক চাহিদা নিয়ন্ত্রণে রাখতে নতুন এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী, একটি মোটরসাইকেল দিনে সর্বোচ্চ ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নিতে পারবে। ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য দৈনিক বরাদ্দ ১০ লিটার। স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল (এসইউভি) ও মাইক্রোবাস প্রতিদিন ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল পাবে।

এছাড়া পিকআপ ও স্থানীয় বাসের জন্য দৈনিক ৭০ থেকে ৮০ লিটার ডিজেল নির্ধারণ করা হয়েছে। দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও কনটেইনার ট্রাক প্রতিদিন ২০০ থেকে ২২০ লিটার পর্যন্ত জ্বালানি নিতে পারবে।

বিপিসি জানিয়েছে, দেশের ব্যবহৃত জ্বালানি তেলের প্রায় ৯৫ শতাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। বর্তমান বৈশ্বিক সংকটময় পরিস্থিতিতে আমদানি কার্যক্রম কখনো কখনো বিলম্বিত হতে পারে। তবে দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিতভাবে বিদেশ থেকে তেলের চালান আনা হচ্ছে এবং দেশের বিভিন্ন ডিপোতে রেল ওয়াগন ও ট্যাংকারের মাধ্যমে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ফিলিং স্টেশন থেকে তেল নেওয়ার সময় গ্রাহকদের অবশ্যই রসিদ সংগ্রহ করতে হবে। রসিদে তেলের ধরন, পরিমাণ ও মূল্য উল্লেখ থাকবে। পরবর্তীতে আবার তেল কিনতে গেলে আগের রসিদ দেখাতে হবে। ডিলাররা সেই রসিদ যাচাই করেই তেল সরবরাহ করবেন। বরাদ্দের অতিরিক্ত তেল সরবরাহ না করতে ডিলারদের কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে।

এদিকে রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে শুক্রবার ছুটির দিনেও তেল নিতে মানুষের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। পরীবাগে মেঘনা মডেল সার্ভিস সেন্টার ফিলিং স্টেশনের সামনে থেকে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে হয়ে শাহবাগ মেট্রোরেল লাইনের নিচ পর্যন্ত মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়ির দীর্ঘ সারি দেখা যায়।

দুপুরের দিকে লাইনে দাঁড়ানো নিয়ে কয়েকজন মোটরসাইকেল চালকের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক ও হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরু হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে যুদ্ধ পরিস্থিতি ছড়িয়ে পড়ে। ইরান পাল্টা হামলা চালানোর পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি তেল সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

তবে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। শিগগিরই বাফার স্টক বা পর্যাপ্ত মজুত গড়ে উঠবে বলেও আশাবাদ জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

২৮৫ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
National নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন