Latest

FB Writings

কুষ্টিয়ার ডিসি প্রত্যাহার

রাষ্ট্রীয় কাঠামোর স্বাভাবিক প্রক্রিয়া নিয়ে পক্ষ-বিপক্ষ প্রতিক্রিয়া কেন?

হাবীব চৌহান
হাবীব চৌহান

বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬ ১১:৩৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
সরকারি নির্দেশে একজন জেলা প্রশাসক (ডিসি) প্রত্যাহার হয়েছেন। প্রশাসনিক ব্যবস্থায় বদলি বা প্রত্যাহার অস্বাভাবিক কিছু নয়; এটি রাষ্ট্রীয় কাঠামোর স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।

কিন্তু কুষ্টিয়ায়—তাঁকে “রাখতেই হবে” "যেতেই হবে" এমন অবস্থান কেন তৈরি হলো?
একজন সরকারি কর্মকর্তাকে ঘিরে পক্ষে-বিপক্ষে জনমত দাঁড় করানো—এ কোন সংস্কৃতি?
ডিসি কোনো নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি নন। তিনি রাষ্ট্রের প্রতিনিধি। তাঁর কাজ আইন ও নীতিমালা বাস্তবায়ন করা, জনপ্রিয়তার রাজনীতি করা নয়। তাহলে তাঁকে কেন্দ্র করে আবেগঘন চাপ সৃষ্টি করা কি প্রশাসনিক কাঠামোকেই চ্যালেঞ্জ করা নয়?
আর এতে এই কর্মকর্তার কতটুকু মঙ্গল হলো? স্বল্পমেয়াদে তিনি জনসমর্থনের প্রতীক হিসেবে উপস্থাপিত হলেও দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিগ্রস্তই হলো তাঁর নিরপেক্ষতার ভাবমূর্তি।
একজন কর্মকর্তাকে যখন নির্দিষ্ট পক্ষের সমর্থন বা বিরোধিতার কেন্দ্রে দাঁড় করানো হয়, তখন তাঁর পেশাগত ভারসাম্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ভবিষ্যতে তিনি যতই নিরপেক্ষভাবে কাজ করুন না কেন, প্রশ্ন থেকেই যাবে—তিনি কি সবার কর্মকর্তা, নাকি কারও?
আর কুষ্টিয়ার মানুষকেও মনে রাখতে হবে— সরকারি কর্মকর্তা আসবেন, যাবেন—এটাই নিয়ম। কিন্তু প্রশাসনিক সিদ্ধান্তকে আবেগের ইস্যু বানানো বা ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি করা উচিত নয়। এতে শৃঙ্খলার ভীত নষ্ট হয়। আর এটি ভালো বার্তাও নয়।
শেষ কথা হচ্ছে— ভবিষ্যতের জন্য আমাদের চাওয়া উচিত একটি শক্তিশালী প্রশাসনিক সংস্কৃতি, ব্যক্তি-নির্ভর আবেগের রাজনীতি নয় ---


(লেখাটি লেখকের ফেসবুক পেইজ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে)

৫৫৫ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
FB Writings নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন