Latest

Country

গোপালগঞ্জের ডা. কে এম বাবরকে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী করার দাবি জোরালো

বাদল সাহা, গোপালগঞ্জ
বাদল সাহা, গোপালগঞ্জ

সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ৯:৪৩ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত গোপালগঞ্জ-০২ আসনে রাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর।

এক সময় যেখানে বিএনপির রাজনীতি করা ছিল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ, সেখানে তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই নেতার বিজয়কে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে নতুন প্রত্যাশা।

আগামীকাল তাঁর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের প্রাক্কালে গোপালগঞ্জ-০২ আসনের ২৮টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার সাধারণ মানুষ ছাড়াও জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধারা একসুরে দাবি তুলেছেন-ডা. বাবরকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হোক। স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিনের অবহেলিত স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে তাঁর মতো একজন সৎ ও পেশাদার চিকিৎসকের প্রয়োজন।

জেলার ২৫০-শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ থাকা সত্ত্বেও স্বাস্থ্যসেবার মান নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অসন্তোষ রয়েছে। চিকিৎসক সংকট, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির অভাব এবং মুমূর্ষু রোগীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা বা খুলনায় পাঠানোর ঘটনা এখানকার মানুষের দুর্ভোগ বাড়িয়েছে। এতে সময় ও অর্থ-উভয় ক্ষেত্রেই ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন রোগীর স্বজনরা।

নির্বাচনের সময় ডা. কে এম বাবর জেলার স্বাস্থ্যখাতে আমূল পরিবর্তনের অঙ্গীকার করেন। সেই প্রতিশ্রুতির ওপর আস্থা রেখেই ভোটাররা তাঁকে নির্বাচিত করেছেন বলে মনে করেন স্থানীয়রা। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর শপথের আগেই তিনি গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও ২৫০-শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে রোগীদের খোঁজখবর নেন। এছাড়া সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতি দেওয়া অঙ্গীকার রক্ষায় তিনি মতুয়া সম্প্রদায়ের তীর্থস্থান ওড়াকান্দিও পরিদর্শন করেন।

স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের মতে, ডা. বাবর কেবল রাজনৈতিক নেতা নন; তিনি একজন দেশপ্রেমিক ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তির মানুষ। তাঁরা মনে করেন, স্বাস্থ্যখাতে সুশাসন ও কাঙ্ক্ষিত সংস্কার আনতে তাঁকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা সময়ের দাবি।

এদিকে স্থানীয় বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম বলেন, 'হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ থাকলেও আমরা কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা পাইনি। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য তাঁর প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবেন-এটাই আমাদের প্রত্যাশা। তাঁকে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী করা হলে জেলার পাশাপাশি দেশের স্বাস্থ্যখাতেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।'

নিজের বক্তব্যে ডা. কে এম বাবর বলেন, 'জেলার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছি। মানুষের প্রত্যাশা পূরণে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।'

গোপালগঞ্জ-০২ আসনের সাধারণ মানুষ এখন তাকিয়ে আছেন দলের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের দিকে-তাঁদের প্রিয় নেতাকে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয় কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

৫৩৪ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
Country নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন