Latest

Country

জামায়াতের ইশতেহারে গুরুত্ব পেল পার্বত্য চট্টগ্রাম, মিশ্র প্রতিক্রিয়া

মোহাম্মদ সোলায়মান, রাঙামাটি
মোহাম্মদ সোলায়মান, রাঙামাটি

বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ৬:০৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঘোষিত নির্বাচনী ইশতেহারে পার্বত্য চট্টগ্রাম ইস্যুকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ঘোষিত ৪১ দফার ইশতেহারের ৩৯ নম্বর দফায় পার্বত্য চট্টগ্রাম সংক্রান্ত চারটি প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

ইশতেহারের ৩৯ নম্বর দফার প্রথম ধারায় পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে পার্বত্য শান্তি চুক্তি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। দ্বিতীয় ধারায় পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে বিশেষ প্রকল্প গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। তৃতীয় ধারায় পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসকারী জনগণের মধ্যে বিদ্যমান বিভেদ ও বৈষম্য দূর করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্যোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি চতুর্থ ধারায় তিন পার্বত্য জেলায় সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।

জামায়াতের ইশতেহারে পার্বত্য চট্টগ্রাম ইস্যুর অন্তর্ভুক্তিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট মহলের অনেকে। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক লেখক ও গবেষক এবং দৈনিক ইনকিলাবের সাব-এডিটর সৈয়দ ইবনে রহমত বলেন, জামায়াতে ইসলামীর ইশতেহারে পার্বত্য চট্টগ্রামকে গুরুত্ব দেওয়া একটি ইতিবাচক দিক। তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা বাস্তব ও গুরুত্বপূর্ণ। ইশতেহারে যেসব বিষয় তুলে ধরা হয়েছে, সেগুলোর মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দলটি ক্ষমতায় এলে এসব প্রতিশ্রুতি কীভাবে এবং কতটুকু বাস্তবায়ন করে, সেটিই দেখার বিষয়। তিনি আরও বলেন, প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের উচিত পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা ও বৈষম্য নিরসনে তাদের সুস্পষ্ট নীতিমালা জাতির সামনে তুলে ধরা।

পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের কেন্দ্রীয় মহাসচিব সাব্বির আহমেদ বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী ইশতেহারে যে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, তা ইতিবাচকভাবে দেখা যায়। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই ঘোষণা যেন কেবল কাগজে সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম পার্বত্য অঞ্চলের সাধারণ সম্পাদক ইন্টু মনি চাকমা বলেন, জামায়াতে ইসলামীর মতো একটি রাজনৈতিক দল তাদের ইশতেহারে পার্বত্য চট্টগ্রাম ইস্যুকে গুরুত্ব দেওয়াকে ভালো দিক হিসেবে দেখছেন তারা। তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা জাতীয় ও রাজনৈতিক বিষয়। যেহেতু রাজনৈতিক দলগুলো সরকার গঠন করে, তাই তাদের উচিত এই সমস্যাকে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রাখা। তিনি আরও বলেন, ইশতেহারটি দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি থেকে প্রণীত হওয়ায় এতে ভালো-মন্দ উভয় দিক রয়েছে, যা দলটি রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে আলোচনার মাধ্যমে মূল্যায়ন করা যাবে।

৩৪১ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
Country নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন