Latest

Country

পাবনায় পুকুরে বিষ দেয়ার অভিযোগ, দুই পক্ষের উত্তেজনা চরমে

পাবনা প্রতিনিধি
পাবনা প্রতিনিধি

সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ৫:১০ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
পাবনার চাটমোহর উপজেলার কাটেঙ্গা গ্রামে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে।

রবিবার (৩০ নভেম্বর) সকালে পুকুরে গিয়ে ভেসে ওঠা মরা মাছ দেখে বিষয়টি প্রথম জানতে পারেন পুকুর মালিক সুরুজ আলী। তার দাবি, শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে দুর্বৃত্তরা পুকুরে বিষ দেয়, যার ফলে লাখ টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, সুরুজ আলীর চাচাতো ভাই শাজাহান আলীর নির্দেশে কয়েকজন পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে। এ সময় ঘটনাস্থলে গিয়ে বাধা দিতে গেলে সুরুজ আলীর ছোট ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেনের ওপর হামলার চেষ্টা হয়। জীবন বাঁচাতে তিনি সরে গিয়ে জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করেন। পরে অভিযুক্তরা তাদের বাড়িতেও হামলার চেষ্টা করে বলে জানান ভুক্তভোগীরা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।

সুরুজ আলীর বড় ছেলে বকুল হোসেন বলেন, “গতকাল দুপুরে তারা পুকুরে এসে বিষ দিতে থাকে। আমার ছোট ভাই এগোতেই তাকে মারতে উদ্যত হয়। পরে আমাদের বাড়িতেও আক্রমণের চেষ্টা চালায়। তারা দাবি করছে, পুকুর তাদের—মাছও তারা তুলবে। অথচ আমরা বহু বছর ধরে দখলে রেখে মাছ চাষ করছি।”

জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, কয়েক বছর আগে পুকুর কেটে নতুন বাড়ি নির্মাণের পর থেকেই তারা নিয়মিত মাছ চাষ করে আসছেন। তিনি অভিযোগ করেন, আলিফ, শাহীন, আজিজ, কোকিল ও মহররম নামের কয়েকজন শাজাহান আলীর ইন্ধনে পুকুরে বিষ দেয়। তার দাবি, শাজাহান হঠাৎ করে জমির মালিকানা দাবি করছেন, যদিও দীর্ঘদিন ধরে কেউ কোনো দাবি তোলেনি। “সত্তরের দশকে আমার দাদা শাজাহানের বোনের কাছ থেকে জমিটি কিনেছিলেন। তার দলিল আমাদের কাছে আছে,” বলেন জাহাঙ্গীর।

অপরদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত আলিফ বলেন, “সবই মিথ্যা। ওরা নিজেরাই এটা ঘটিয়ে আমাদের ওপর দোষ চাপাচ্ছে। আমরা মাছের অবস্থা দেখতে পুকুরে মাত্র কিছু খাদ্য ছিটিয়েছিলাম। পুকুরের মালিক শাজাহান—তার কাছ থেকে আমরা লিজ নিয়েছি।” প্রথমে তিনি বিষয়টি ‘নিউজ না করতে’ অনুরোধ করলেও পরে দাবি করেন, বিলে তাদের ছেড়ে দেওয়া মাছ শুকিয়ে পুকুরে চলে আসায় জাহাঙ্গীরদের কাছে মাছ ফেরত চেয়েছিলেন তারা।

চাটমোহর থানার ওসি মনজুরুল আলম জানান, খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

৩০৯ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
Country নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন