FB Writings
আমার স্কুলের কথা
আমার স্কুল জীবন কেটেছে কুমারখালীর দুটি স্কুলেই - জে এন স্কুল ও এম এন হাই স্কুল। ১৯৬১ সালে জে এন স্কুলে আমি ক্লাস ওয়ানে ভর্তি হই। আমার বাড়ির পাশেই স্কুলটি। দোচালা টিনের ঘর লম্বালম্বি। এটি এক সময়ে মাইনর স্কুল নামেও পরিচিত ছিল। পরবর্তীতে জুনিয়র হাই স্কুল হয় এবং তারও পরে হাই স্কুলে রূপান্তরিত হয়।
আমার প্রিয় একজন সফল শিক্ষকের কাহিনী
মাওলানা আব্দুস সাত্তার ১৯১০ সালে বর্তমান রাজবাড়ী জেলার পাংশা থানার ভেলাবাড়ীয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম মৌলভী মোঃ সাদেক আলী। তিনি বগুড়ার নাজমুল উলুম সিনিয়র মাদ্রাসা থেকে “দাখিল” ও “আলিম” পাস করেন এবং কলকাতা আলিয়া মাদ্রাসা থেকে “ফাজিল” ও “কামিল” পাস করেন। তিনি ৭ (সাত) সন্তানের (৫ পুত্র ও ২ কন্যা) জনক। তিনি ২০০২ সালের ১৩ আগস্ট ৯২ বছর বয়সে কুমারখালী শহরে তাঁর নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন।
ফিরে পাওয়া শৈশব
নৌকা নিয়ে শিশুদের দুরন্তপনার দৃশ্য দেখতে দেখতে কখন যে নিজের শৈশবের উঠোনে ফিরে গিয়েছিলাম, টেরই পাইনি। চোখের সামনে তখন আর আব্দুল্লাহ, ছাবিব কিংবা হুসাইন নয়—দেখতে পাচ্ছিলাম আমাদেরই ছোট্টবেলার মুখ। মনে হচ্ছিল, সময় যেন হঠাৎ পেছন দিকে হাঁটতে শুরু করেছে। নদীর জলে ভেসে উঠেছে হারিয়ে যাওয়া সেই দিনগুলো।
প্রিয় নোমান আর নেই
আজ (বৃহস্পতিবার) সকাল ১০টা ৩৫ মিনিট।
নোমানের ফোন। মাত্র ১ মিনিট ৬ সেকেন্ড কথা হলো।
— "ভাই, উপজেলা গেটের সামনে বসলাম, আপনি আসেন।"
আমি বললাম, "হ্যাঁ, তুমি বসো, আমি আসছি।"
কে জানত, এটাই হবে নোমানের সঙ্গে আমার শেষ কথা!
নিকোর পদক, কেইনের দৌড় আর সেই আমিটা
ফুটবলের বিশ্বকাপ সত্যিকার অর্থেই দ্য গ্রেটেস্ট শো অন দ্য আর্থ। তা না হলে আমার মতো এত মৌসুমি, চার- বছরে- একবার- ফুটবল ফ্যান-হয়ে ওঠা লোক যাবতীয় স্বাস্থ্যবিধি, প্রাত্যহিক নিয়ম ভেঙে রাত ১ টা, ২টা বা তিনটায় খেলা দেখে! শুধু কি আমি? আমার বউ যে ফুটবলের অফসাইড বোঝে না, দলগুলির পরিচয়ও কম জানে,সেও মাতে এই উৎসবে। তবে সে এটা বোঝে ফুটবলকে পায়ে ধরে রাখা, ড্রিবলিং কিংবা পাস - সত্যিই এক নিপুণ আর্ট। সেটা দেখতেই যেন তার রাত দুপুরে টিভি সেটের সামনে বসা। কে হারল, কে জিতল এটা তাকে মাতায় না।
খেলা আমাদের আনন্দ দেওয়ার জন্য, বিভেদ সৃষ্টির জন্য নয়
আজ থেকেই সিদ্ধান্ত নিলাম, ফুটবল বা অন্য কোনো খেলাধুলা নিয়ে আর কোনো আলোচনা করব না।